RSS

Tag Archives: রম্যরচনা

পুণে পাঁচালী ৩ – কাজের মাসি

পুণে পাঁচালী ৩ – কাজের মাসি

পুণেতে এসে নতুন বাসা খুঁজে সেখানে বসবাস শুরু করার আগেই মনে মনে খুব জরুরী একটা জিনিস চাইছিলাম। জিনিস বললে অবশ্য ভুল বলা হয়। এই দৈনন্দিন চাহিদাটি বাড়িতে ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি। শহুরে পশ্চিমবঙ্গের নব্বই শতাংশ বাড়িতেই কাকভোরে বা একটু বেলায় আপিস টাইমে যাঁদের ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশী থাকে, তাঁরা স্কুল-কলেজ-অফিসযাত্রী নন – কাজের মাসি। তাঁদের কেউ কেউ ট্রেনে আসেন (দক্ষিণ কলকাতায়), কেউ পাশের বস্তিতে থাকেন (উত্তর কলকাতায়), কেউ বা বাসে-অটোতেও যাতায়াত করেন। আমাদের হায়দ্রাবাদের বাসায় কাজের মাসি ইন-হাউজ ছিলেন, অর্থাৎ সেখানকার কেয়ারটেকারের স্ত্রী। পুণেতে এসে কপালে কে জুটবে সেই নিয়ে যারপরনাই চিন্তায় ছিলাম।

আনকোরা নতুন ঘরে প্রথম দিন ঝাড়ু-ফিনাইল-বালতির দোকান খুলে বিশাল ধোয়াধুয়ি করছি, হঠাৎ বেল বাজল। দরজার ওপারে এক প্রৌঢ়াগত তরুণী, নিঁখুত কুঁচি দিয়ে পাট করে শাড়ি পরা, গলায় সোনার মঙ্গলসূত্র, হালকা সিঁদুর, হাতে পার্স ও মোবাইল। সেলসগার্ল ভেবে কাটিয়ে দেব মনে করছি, তার আগেই তিনি বললেন যে আমরা নতুন এসেছি, কাজের লোকের দরকার থাকলে তিনি করতে চান। দেখেশুনে যত না চমকালাম, তার চেয়েও বেশি চমক অপেক্ষা করছিল যখন তিনি কাজের রেটগুলো বললেন – প্রতি কাজ (অর্থাৎ বাসন মাজা, ঘর মোছা, কাপড় কাচা) ৫০০/- । ভাবা যায়! পশ্চিমবঙ্গের কাজের মাসি-মেসোরা শুনলে মুচ্ছো যাবেন। আমারই আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার যোগাড় হওয়াতে তাঁকে বললাম পরে কখনো আসতে। উদ্দেশ্য পাতি ছিল, একটু মার্কেট সার্ভে করে নেওয়া, যদি পকেট কিঞ্চিৎ বাঁচানো যায়। তবে সেটা হল না, কারণ বাকিদের রেট একই থাকলেও প্যাখনা দেখলাম অনেক বেশি এঁর থেকে। সেদিন থেকে ইনি বহাল হলেন এবং আমারও জীবনের একটা নতুন অভিজ্ঞতার সূচনা হল।

Read the rest of this entry »

Advertisements
 
10 Comments

Posted by on December 10, 2013 in পুণে পাঁচালী, রচনা

 

Tags: , , , ,

পুণে পাঁচালী ২ – ভবা পাগলা

পুণে পাঁচালী ২ – ভবা পাগলা

ভবা পাগলার কথায় আসার আগে একটু ব্যাকগ্রাউন্ডটা দি। আমি যেখানে থাকি এখন, সেটা পুণের রাজারহাট বলা যায়। জায়গাটার নাম পিম্পলে সৌদাগর, আমরা আবার সেটাকে ছেলেখেলা করে পিম্পল গাঁও বলি। এখানে সব এলাকাতেই বড় রাস্তা ছাড়িয়ে একটু ভেতরে গেলেই সেটাকে লোকজন অমুক গাঁও তমুক গাঁও বলে। পিম্পল গাঁওতেও বড় বড় কিছু ফাঁকা জমি আর তার পাশাপাশি বিশাল বিশাল কমপ্লেক্স রয়েছে, এখানে যাকে সোসাইটিবলে। বৃহত্তর সমাজের মধ্যে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা টুকরো টুকরো সোসাইটি, যে যার মত আলাদা থাকার জন্যে। তো আমরাও এরকম একটি সোসাইটিতে থাকি, যেখানে ৪টি ব্লক আর তাকে ঘিরে বেশ খানিকটা উঠোন আর একফালি DSC08256বাগান আছে। সেই বাগানের এক কোণে আবার শ্বেতপাথরের ঢাকা বেদীতে শ্বেতপাথরেরই গণেশ রাখা। হ্যাঁ, গণেশ ছাড়া কী থাকবে? ভুলে যাবেন না, দেশের অধিকাংশ মানুষই তো মেজরিটি ধর্মভুক্ত। তা সে যাইহোক, ৪টি ব্লক মিলিয়ে (XX)=১২৮টি ফ্ল্যাট। মোটামুটি দুচারটে বাগানবাড়ির এলাকা মিলিয়ে যতটা জায়গা হয়, তাতে এতগুলো লোকের বসবাস করার জায়গা বানানো যায় সেটা আগে খেয়াল করিনি। আমি আগে কোনোদিন এরকম সোসাইটিওয়ালা ফ্ল্যাটে থাকিনি। বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না, কিন্তু মনে মনে ছবিটা আঁকলে একটা বেশ লম্বাটে ধরণের মৌচাকের মত মনে হয়, ওরকমই খুপরি খুপরি ঘর জুড়ে একটা পুরো সোসাইটি। মৌমাছিরা একে অপরকে চেনে কিনা জানিনা, তবে আমাদের ফ্লোরের চতুর্থ প্রতিবেশীকে আমি এখনো চোখে দেখিনি। তারা কখন আসে, কখন যায়, কী খায়, খোদায় জানে! দেশটা ধীরে ধীরে বিদেশ হয়ে যাচ্ছে সেটা বেশ বুঝতে পারছি। বিদেশে যে কমপ্লেক্সে ছিলাম সেখানেও একই ফ্লোরের প্রতিবেশীদের মুখ দেখিনি ছমাসেও। পাশের ফ্ল্যাটে ভারতীয়রা থাকত সেটা বুঝেছিলাম তাদের রান্নার গন্ধে, তার পাশের ফ্ল্যাটে লোকাল আইরিশ জনতা যাদের চেনা যেত প্রায়ই বিকেলে ডিনারের জন্যে স্টেক/রোস্ট রাঁধার গন্ধে, আর তাদের পাশে যারা থাকত তারা চাইনিজ বা কোরিয়ান – ওরকমই ধাঁচের দুটো বাচ্চার হুটোপাটি দেখা যেত আর ওদের বাথরুমের জানলায় এক পট ফুলগাছ রাখা ছিল।

Read the rest of this entry »

 
7 Comments

Posted by on August 6, 2013 in পুণে পাঁচালী

 

Tags: , , ,

বিজ্ঞাপনীয়তা

আজকাল টেলিভিশনে বাংলা বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে মনে হয়, ‘এরা কারা? কোথা থেকে আসে?’ যে বিজ্ঞাপনগুলো হিন্দি বা ইংরেজি থেকে অনুবাদ করে ডাব করা, সেগুলোর ভাষা দেখে হাসব না কাঁদব সেটা ঠিক করা দুষ্কর হয়ে পড়ে। কদিন ধরেই কয়েকটা এরকম বিজ্ঞাপন দেখে খালি মনে হচ্ছে যে এই কপিগুলো কারা লেখে? আমি তাদের এই আরামের চাকরিটা চাই, যেখানে ভুলভাল কিছু বসিয়ে দিলেই দায় সারা হয়ে যায়। কাজ কম, খাটনি কম, অধ্যাবসায় আদৌ নেই, ভাষা এবং উচ্চারণের কোনো মাদার ফাদার নেই। বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো আঞ্চলিক ভাষায় বিজ্ঞাপনকে বোধহয় ততটা গুরুত্ব দেয় না। অথবা তাদের ধারণা ক্রেতারা সবাই বোধহয় হিন্দি বোঝে বা পড়তে পারে। কয়েকটা উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা আরো স্পষ্ট হবেঃ

 

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

হরলিক্স (বাংলা)এমন একটি ব্র্যান্ড যা লক্ষ লক্ষ লোক রোজ কেনেন/ব্যবহার করেন। হিন্দি বিজ্ঞাপনটি এঁরা খুব যত্ন নিয়ে করিয়েছেন, কিন্তু বাংলার বেলায় দুয়োরানী কেন? বাচ্চাদের জন্যে হরলিক্সের উপকারিতা, যেটা কিনা এই বিজ্ঞাপনের আসল USP, সেটা বোঝানোর সময়ই এঁরা ধেড়িয়েছেন।

এতে আছে আধ কাপ দুধ যতটা ক্যালশিয়াম আর একশো গ্রাম বাদাম যতটা আয়রন।

এই পুরো বাক্যটি হিন্দি থেকে সরাসরি অনুবাদ হওয়াতে খুবই অদ্ভুত শোনায়।

ইসমে হ্যায় আধা কাপ দুধ যিতনা ক্যালশিয়াম ঔর সৌ গ্রাম বাদাম যিতনা আয়রন।

এই যিতনাথেকে যতটাঅনুবাদের কি কোনো দরকার ছিল? হিন্দিতে যা মানে দাঁড়ায়, বাংলায় তো আদৌ কোনো মানেই হয় না। হিন্দিবাংলা অনুবাদ সঠিক করবেন এরকম কপিরাইটার মনে হয় পাওয়া যায় না, কে জানে!

 

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

ওয়াইল্ডস্টোন ডিও স্প্রে (বাংলা)এই বিজ্ঞাপনের জিঙ্গলটি হিন্দিতে এত সুন্দর যে শুনতে দারুণ লেগেছিল কয়েকদিন। তারপর যখন বাংলায় এল একই জিনিস, প্রথমবার শুনেই ভেবেছিলাম, ‘ভগবান, তুলে নাও! (আমাকে নয়, ওদের)’ … কী অত্যাচার রে ভাই! এরকম অনুবাদ আমি বাবার কেন ঠাকুর্দার জন্মেও শুনিনি। হিন্দি জিঙ্গলটি হলঃ

রংরেজা,… ইত্যাদি, প্রভৃতি (দূর মশাই, অত মন দিয়ে কে শোনে!)

আর এর বাংলা অনুবাদটি শুনবেন? প্লিজ শুনুন, আমি একাই কেন ভুগব।

রঙের রাজা,… ইত্যাদি, প্রভৃতি (এটাও পুরো শোনার প্রয়োজন বোধ করিনি)

উর্দুতে রংরেজা মানে যিনি কাপড় রঙে ছোপান, আর বাংলায় রঙের রাজা মানেবোধহয় ভালো রঙের মিস্ত্রীকে বোঝায়। সেদিক দিয়ে ভাবতে গেলে মনে হয় কপিরাইটার দারুণ সোশালিস্ট, সবরকম ক্লাসের ক্রেতাদের একই ডিও স্প্রে দিয়ে আয়ত্তে আনতে চেয়েছেন। তবে যারা শুধু দিয়া মির্জার লাল শাড়ি আর বিপজ্জনক ব্লাউজ দেখে এই ডিওটা কিনবেন/অলরেডি কিনে ফেলেছেন, তাদের এইসব দেখেশুনেপড়েভেবে কোনো লাভ নেই, ‘জয় মাবলে কিনে ফেলুন আর তারপর কী হল সেটাথাক, আমাদের জানাবার দরকার নেই।

 

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

ছবি সৌজন্যেঃ গুগল

বেনাড্রিল (বাংলা)এটা নিয়ে আমার বিশেষ আপত্তি নেই, পুরো বিজ্ঞাপনটি আপনি মন দিয়ে শুনবেন, ভালই লাগবে। শুকনো কাশি আর কফওয়ালা কাশির আলাদা আলাদা ওষুধ হয় সে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবেন। আর সবশেষে গিয়ে এই ট্যাগলাইনটা দেখবেনঃ

কাশি আলাদা তো সমাধানও

এটা দু সেকেন্ডের জন্যে শুনে কানে লাগে না, কিন্তু লেখাটায় চট করে চোখ পড়লেই কীরকম যেন খট করে বাজে। হিন্দিতে ওরিজিনালি এই ট্যাগলাইনটা ছিলঃ

খাঁসি অলগ তো হল ভি

এ যেন মনে হয় কেউ গুগল ট্রান্সলেট খুলে শব্দটুশব্দ বসিয়ে দিয়েছে। আর কে না জানে গুগল ট্রান্সলেট একটা অলপ্পেয়ে জিনিস, বাবা কে অবলীলায় মামা করে দিতে পারে। একটু কষ্ট করে সময় ব্যয় করে একটু সঠিক অনুবাদ কী একেবারে করা যায় না? মানছি অ্যাড এজেন্সিগুলি একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাকাউন্টের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে, কিন্তু তা বলে এই?

পুনশ্চঃ আরেকটি অর্বাচীন বিজ্ঞাপন আছে বাংলায় যার শেষে ট্যাগলাইনটা হিন্দিতে লেখা থাকে, যেন সব বাঙালী দর্শক হিন্দি পড়তে পারেন! কীসের বিজ্ঞাপন এক্ষুণি মনে পড়ছে না জানেন, এক ঝলক দেখেছিলাম তো। মনে পড়লেই এখানে আপডেট করে দেব। নজর রাখবেন।

 
4 Comments

Posted by on June 27, 2013 in রচনা

 

Tags: , , , , , , ,

প্রতিধ্বনি শুনি…

*পশ্চিমবঙ্গের লোকাল রেলকামরা থেকে ভেসে আসা নানাধরণের দৈনন্দিন প্রতিধ্বনিসমূহ*

সিঙাড়া কিনবেন?’

সন্দেশ বলুন, গরম সন্দেশ!’

আচ্ছা, চিনির দাম কমলে কি সত্যিই চায়ের দাম কমবে?’

(ফোনে) ‘অ্যাই আমার কিন্তু এমার্জেন্সি, তুমি কালকেই টাকাটা দেবে।

চারটে দশ কলা, চারটে দশ কলা!’

খাস্তা গজা ছিল দাদা, সত্যি বলছি, ফার্স্টক্লাস গজা।

স্পেড কল করো, স্পেড।

ও রজতদা, জলটা একটু আমাদের এদিকে দিন না।

চা লেবুউউউ, লেবু চা খান…’

ছোলা খাবেন, ছোলা আছে, ছোলা…’

এই, এটা কোন স্টেশন এল?’

অন্ধ ভাই কে দুটো পয়সা দেবেন দাদাভাই। চার আনা, আট আনা আজকাল ফেলে দেন দাদাভাই, অন্ধ ভাইকে কিছু পয়সা দিয়ে সাহায্য করুন।

লবঙ্গলতিকাআআআবিস্কুটের মত খাস্তা লবঙ্গলতিকা আছে, নেবেন।

ভুজিয়া খাবেন এক্সট্রা মশলা, এক্সট্রা বাদাম দেওয়া ভুজিয়া দুটাকায়। কতটা পরিমাণ আছে দেখে নিয়ে কিনুন, তিন টাকা চার টাকা নয়, শুধু দুটাকায়।

(রেডিওতে) ‘শীশা হো য়া দিল হো, আখির, টুট যাতা হ্যায়…’

কালকে চিকেন মাঞ্চুরিয়ানটা হেব্বি ছিল, জানো তো!’

আমি কিন্তু আজও আছি।গরম মুচমুচে মশলাদার খোসাছাড়ানো বাদাম। বাদাম বলবেন।

রজতদা, আরেকটু জল থাকলে দিন না এদিকে।

আরে, আমাদের এদিকে সবার জল শেষ।

ও কাকু, শিয়ালদা আসতে আর কটা স্টেশন গো?’

এই তো বিরাটী, এরপর ক্যান্টনমেন্ট, দমদম,…,শিয়ালদা।

ব্যাস!…এবার আর সকালে উঠে প্রেশার দিয়ে মলত্যাগ করতে হবে না। চেটে খান, চুষে খান, গিলে খান।আনারদানা।

মিষ্টি আঙুর ফল!’

(পুরুষ) ‘যেখানে দেখালাম, ওখানে…?’

(মহিলা) ‘ওখানে তুমি ঢুকতে পারবে? যেখানে সেখানে ঢোকার চেষ্টা কোরো না।

জানো কাকিমা, আজকে স্টারস্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডটা দেখা হল না আর। আটটার মধ্যে ফিরতে পারলে তাও হত, এখন গিয়ে দেখব মা অন্য কিছু খুলে দেখছে।

গরম মিহিদানা নেবেন, গরম মিহিদানা।

(ফোনে) ‘আরে আমি একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলুম, তাই ফোন শুনতে পাই নি, রাগ করছ কেন? হ্যাঁ এখন দমদমে আছি, এসে যাচ্ছি আরেকটু পরে।

আমলকী আছে দাদা, এমনি আমলকী, রোদেশুকানো আমলকী, নুন দেওয়া আমলকী। পেটের জন্যে খুব ভাল দাদা। দেব নাকি স্যাম্পেল একটু?’

কই কল করো।

চিঁড়েতনের গোলাম।

দূর, তুমি খেলার কিসসু বোঝ না, ছেড়ে দাও!’

আপনার চোখ কি এতই ভালো, এখান থেকে লালগোলা দেখতে পাচ্ছেন! ওখানে এখন দত্তপুকুর দেওয়ার কথা।

কই শিয়ালদা এলো? এটা কোন স্টেশন ঢুকছে?’

এটাই শিয়ালদা নাকি, কী জানি আমি চিনতে পারছি না। ও কাকু…’

হ্যাঁ, এটাই শিয়ালদা।

 
1 Comment

Posted by on February 1, 2010 in রচনা

 

Tags: , , , , , , , , , , , ,

 
যযাতির ঝুলি | বাংলা ব্লগ | Jojatir Jhuli | Bangla Blog

বাংলা কবিতা, বাংলা গদ্য.. মুচমুচে, খাস্তা, অনবদ্য। ছুটির দুপুরে হোক না যোগ.. যযাতির গল্প, ছড়া, ব্লগ।।

feeble Lines

- By Adarsh

Natasha Ahmed

Author at Indireads

জীবনের আয়না

কিছু এলোমেলো ভাবনাচিন্তা

ব্লগম ব্লগম পায়রা

এটা-সেটা লেখা-দেখা...কখনো আনমনে কখনো সযতনে, টুকিটাকি আঁকিবুঁকি...সাদা-কালো সোজা বাঁকা

translations

translations of contemporary, modern and classic bengali fiction and poetry by arunava sinha

Cutting the Chai

India's original potpourri blog. Since 2005. By Soumyadip Choudhury

সাড়ে বত্রিশ ভাজা

একটি বাংলা ব্লগ

MySay.in | Political Cartoons and Social Views

Funny Cartoon Jokes on Latest News and Current Affairs.

Of Paneer, Pulao and Pune

Observations | Stories | Opinions

A Bookworm's Musing

Reading the world one book at a time!

SpiceArt

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Scrapbook

A Public Performance of Derivative Thinking ;-)

Abhishek's blog অভিষেকের ব্লগ

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Calcutta Chromosome

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Bookish Indulgenges with b00k r3vi3ws

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

monalisadesign

Monalisa's creations

of spices and pisces

food and the history behind it.

A Little Blog of Books

Book reviews and other literary-related musings

Scratching Canvas

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Sapna's Blog

A civilization is only as great as its dreams

The Greatbong Blog & Podcast

Dispensing unsolicited opinions since 2004

Words. More or Less.

Grey cells in Grayscale.

%d bloggers like this: