RSS

Tag Archives: পুণে পাঁচালী

পুণে পাঁচালী ৬ – শারদীয় শুভেচ্ছা

পুণে পাঁচালী ৬ – শারদীয় শুভেচ্ছা

পুণে পাঁচালীর কয়েকটি কিস্তির পর ভেবেছিলাম কলকাতা কচকচিটা অনেকদিন চালাতে পারব। কিন্তু বিধি বাম (পুণে তো কলকাতার বামেই), তাই পুণে পাঁচালীর কিস্তিই বাড়বে যা দেখছি। কলকাতা কচকচির আরো কয়েক কিস্তি পড়তে পারত, কিন্তু তাতে আমার খিস্তি খাওয়ারই সম্ভাবনা বেশী। কাজেই, তিষ্ঠ পাঠকবর/বউ।

বছরখানেক আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৯ শতাংশতে থাকার পর কলকাতা মোটামুটি আমাদের মনের সব আর্দ্রতাই শুষে নিয়েছে, সেই বিষতর বিষয়ে বিশদে আর নাই বা বললাম। ভোজরাজের রোল, আড্ডা আর জমজমাট একটা রোডট্রিপ ছাড়া কলকাতায় খুব ভাল কিছু হয়নি। কিন্তু থাক, সেগুলো নাহয় কলকাতা কচকচিতেই আসবে। পুণেতে একই ঘরে দ্বিতীয়বার ঘর করতে এসে দিব্যি লাগছে। সেই চেনা পটিবেশী – আমাদের হাঁটার আওয়াজে যার ঘুম হয় না, সামনের ফ্ল্যাটের বড় বউ বিদেশ থেকে একটা গুটগুটে বাচ্চা নিয়ে ফিরেছে, সেই ব্লগবিশ্বে বিখ্যাত কাজের মাসি আমার, এবং সেই চেনা দোকানপাট আর দোকানি।

Read the rest of this entry »

Advertisements
 
1 Comment

Posted by on October 24, 2015 in পুণে পাঁচালী

 

Tags: , , , , , ,

পুণে পাঁচালী ৪ – হরিতে বিষাদ

পুণে পাঁচালী ৪ – হরিতে বিষাদ

যাঁরা পুণে পাঁচালী ১ পড়েছিলেন, তাঁদের মনে থাকবে যে আমার বাসার পাশে দুখানি খালি জমি নিয়ে লিখেছিলাম। সেখানে ঝাড়পোঁছ করে প্রথমে ঘাস, তারপর ভুট্টা/জোয়ারের চাষ হচ্ছিল। জমির মালিক ঠিক কী চান বোঝা যাচ্ছিল না। অথবা মালিকানা নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল হয়ত। চড়চড় করে বেড়ে ওঠা সেই ভুট্টা/জোয়ার দেখে আমরা মনে মনে যতই ‘গ্রামে থাকি,’ বলে গালাগাল করি না কেন, সবুজটা চোখকে সবসময়ই আরাম দিত। শীতের সকালে নাতিশীতোষ্ণ রোদে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দু চোখ ভরে সবুজ দেখতে দারুণ লাগত, চা জুড়িয়ে জল হয়ে যেত মাঝে মাঝে।

কদিন বাসায় ছিলাম না, বিশেষ কারণে কলকাতা যেতে হয়েছিল। ফিরে এসে দেখি ভুট্টা/জোয়ার উধাও, ঊষর জমিতে কয়েকটা খচ্চর চরে বেড়াচ্ছে, একটি মজুর পরিবার তাঁবু খাটিয়ে রয়েছে ওখানে। তার পরের দিন আরো চমক, খচ্চর-মজুররা উধাও, ট্র্যাক্টর চালিয়ে জমি দুটো সমান করে দেওয়া হচ্ছে, ঘাসফুসের চিহ্ণও নেই। আর আজ সকালে আমরা নিশ্চিত যে চাষের আর কোনো আশা নেই, কারণ নতুন বাড়ি তোলার আগে সেখানে ল্যান্ড সার্ভে হচ্ছে। ব্যাস, আর কী! সাজানো বাগান শুকায়ে গেল।

pune panchali

যা ছিল আর যা হল

শুনলাম যে আমাদেরই সোসাইটির দ্বিতীয় ফেজ তৈরি হবে ওখানে। আমার সাধের দক্ষিণের বারান্দা ঢাকা পড়ে যাবে, শুধু বসন্ত কেন, কোনো ঋতুরই বাতাস আর পাব না। ঝ্যাঁটা মারো এরকম প্রোমোটারের! দক্ষিণ-পশ্চিম মলয়-সমীরণ কিছুই মানছে না। এত কষ্টে দেখেশুনে একখানা পুব-দক্ষিণে বারান্দাওয়ালা বাড়ি পেলাম আর এক বছরেই সে সুখ কপালে উঠল। ওই দ্বিতীয় ফেজ উঠে গেলেই আমাদের এই বাসার মায়া ত্যাগ করতে হবে। বারান্দা না থাকলে আলাদা কথা, কিন্তু থেকেও নেই হয়ে যাওয়াটা আমি সহ্য করতে পারব না। বাড়িওয়ালা মরুকগে তার ফ্ল্যাট নিয়ে, আমার যে একটু বারান্দা না হলে চলবে না। ধু-ধু নির্জন প্রান্তরে, যেখানে শুধু ড্রিলিং মেশিনের অবিরত আওয়াজ আর চুন-সুরকির ধুলো ছাড়া কিছু মেলে না, সেখানে এক চুমুক বারান্দা না হলে সকাল-বিকেল ফুসফুসে অক্সিজেনের অভাব মনে হয়।

কিন্তু, ফ্ল্যাটবাড়ি তো হবেই। পুণে হল রিয়েল এস্টেটের হাব। যেদিকে যাবেন, বাক্স বাক্স ফ্ল্যাটের ছবিওয়ালা বিজ্ঞাপনে আকাশ ছেয়ে গেছে। দক্ষিণের বারান্দা বোধহয় নয়-দশতলা অব্দি না উঠলে পাওয়া যায় না আর। তাই আমাদের মত গরীব লোকদের খুঁজেপেতে গ্রামের দিকে বাড়ি দেখতে হয় এক টুকরো বারান্দার জন্যে। যাক, হাহাকার না করে সার্কাস বা মজুরদের মত তাঁবু গুটিয়ে অন্যত্র আস্তানা দেখতে হবে আবার, যতদিন না আমাদের যাযাবরতা কাটছে।

 
2 Comments

Posted by on February 7, 2014 in পুণে পাঁচালী

 

Tags: , , , , , , , , ,

পুণে পাঁচালী ৩ – কাজের মাসি

পুণে পাঁচালী ৩ – কাজের মাসি

পুণেতে এসে নতুন বাসা খুঁজে সেখানে বসবাস শুরু করার আগেই মনে মনে খুব জরুরী একটা জিনিস চাইছিলাম। জিনিস বললে অবশ্য ভুল বলা হয়। এই দৈনন্দিন চাহিদাটি বাড়িতে ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি। শহুরে পশ্চিমবঙ্গের নব্বই শতাংশ বাড়িতেই কাকভোরে বা একটু বেলায় আপিস টাইমে যাঁদের ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশী থাকে, তাঁরা স্কুল-কলেজ-অফিসযাত্রী নন – কাজের মাসি। তাঁদের কেউ কেউ ট্রেনে আসেন (দক্ষিণ কলকাতায়), কেউ পাশের বস্তিতে থাকেন (উত্তর কলকাতায়), কেউ বা বাসে-অটোতেও যাতায়াত করেন। আমাদের হায়দ্রাবাদের বাসায় কাজের মাসি ইন-হাউজ ছিলেন, অর্থাৎ সেখানকার কেয়ারটেকারের স্ত্রী। পুণেতে এসে কপালে কে জুটবে সেই নিয়ে যারপরনাই চিন্তায় ছিলাম।

আনকোরা নতুন ঘরে প্রথম দিন ঝাড়ু-ফিনাইল-বালতির দোকান খুলে বিশাল ধোয়াধুয়ি করছি, হঠাৎ বেল বাজল। দরজার ওপারে এক প্রৌঢ়াগত তরুণী, নিঁখুত কুঁচি দিয়ে পাট করে শাড়ি পরা, গলায় সোনার মঙ্গলসূত্র, হালকা সিঁদুর, হাতে পার্স ও মোবাইল। সেলসগার্ল ভেবে কাটিয়ে দেব মনে করছি, তার আগেই তিনি বললেন যে আমরা নতুন এসেছি, কাজের লোকের দরকার থাকলে তিনি করতে চান। দেখেশুনে যত না চমকালাম, তার চেয়েও বেশি চমক অপেক্ষা করছিল যখন তিনি কাজের রেটগুলো বললেন – প্রতি কাজ (অর্থাৎ বাসন মাজা, ঘর মোছা, কাপড় কাচা) ৫০০/- । ভাবা যায়! পশ্চিমবঙ্গের কাজের মাসি-মেসোরা শুনলে মুচ্ছো যাবেন। আমারই আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার যোগাড় হওয়াতে তাঁকে বললাম পরে কখনো আসতে। উদ্দেশ্য পাতি ছিল, একটু মার্কেট সার্ভে করে নেওয়া, যদি পকেট কিঞ্চিৎ বাঁচানো যায়। তবে সেটা হল না, কারণ বাকিদের রেট একই থাকলেও প্যাখনা দেখলাম অনেক বেশি এঁর থেকে। সেদিন থেকে ইনি বহাল হলেন এবং আমারও জীবনের একটা নতুন অভিজ্ঞতার সূচনা হল।

Read the rest of this entry »

 
10 Comments

Posted by on December 10, 2013 in পুণে পাঁচালী, রচনা

 

Tags: , , , ,

পুণে পাঁচালী ২ – ভবা পাগলা

পুণে পাঁচালী ২ – ভবা পাগলা

ভবা পাগলার কথায় আসার আগে একটু ব্যাকগ্রাউন্ডটা দি। আমি যেখানে থাকি এখন, সেটা পুণের রাজারহাট বলা যায়। জায়গাটার নাম পিম্পলে সৌদাগর, আমরা আবার সেটাকে ছেলেখেলা করে পিম্পল গাঁও বলি। এখানে সব এলাকাতেই বড় রাস্তা ছাড়িয়ে একটু ভেতরে গেলেই সেটাকে লোকজন অমুক গাঁও তমুক গাঁও বলে। পিম্পল গাঁওতেও বড় বড় কিছু ফাঁকা জমি আর তার পাশাপাশি বিশাল বিশাল কমপ্লেক্স রয়েছে, এখানে যাকে সোসাইটিবলে। বৃহত্তর সমাজের মধ্যে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা টুকরো টুকরো সোসাইটি, যে যার মত আলাদা থাকার জন্যে। তো আমরাও এরকম একটি সোসাইটিতে থাকি, যেখানে ৪টি ব্লক আর তাকে ঘিরে বেশ খানিকটা উঠোন আর একফালি DSC08256বাগান আছে। সেই বাগানের এক কোণে আবার শ্বেতপাথরের ঢাকা বেদীতে শ্বেতপাথরেরই গণেশ রাখা। হ্যাঁ, গণেশ ছাড়া কী থাকবে? ভুলে যাবেন না, দেশের অধিকাংশ মানুষই তো মেজরিটি ধর্মভুক্ত। তা সে যাইহোক, ৪টি ব্লক মিলিয়ে (XX)=১২৮টি ফ্ল্যাট। মোটামুটি দুচারটে বাগানবাড়ির এলাকা মিলিয়ে যতটা জায়গা হয়, তাতে এতগুলো লোকের বসবাস করার জায়গা বানানো যায় সেটা আগে খেয়াল করিনি। আমি আগে কোনোদিন এরকম সোসাইটিওয়ালা ফ্ল্যাটে থাকিনি। বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না, কিন্তু মনে মনে ছবিটা আঁকলে একটা বেশ লম্বাটে ধরণের মৌচাকের মত মনে হয়, ওরকমই খুপরি খুপরি ঘর জুড়ে একটা পুরো সোসাইটি। মৌমাছিরা একে অপরকে চেনে কিনা জানিনা, তবে আমাদের ফ্লোরের চতুর্থ প্রতিবেশীকে আমি এখনো চোখে দেখিনি। তারা কখন আসে, কখন যায়, কী খায়, খোদায় জানে! দেশটা ধীরে ধীরে বিদেশ হয়ে যাচ্ছে সেটা বেশ বুঝতে পারছি। বিদেশে যে কমপ্লেক্সে ছিলাম সেখানেও একই ফ্লোরের প্রতিবেশীদের মুখ দেখিনি ছমাসেও। পাশের ফ্ল্যাটে ভারতীয়রা থাকত সেটা বুঝেছিলাম তাদের রান্নার গন্ধে, তার পাশের ফ্ল্যাটে লোকাল আইরিশ জনতা যাদের চেনা যেত প্রায়ই বিকেলে ডিনারের জন্যে স্টেক/রোস্ট রাঁধার গন্ধে, আর তাদের পাশে যারা থাকত তারা চাইনিজ বা কোরিয়ান – ওরকমই ধাঁচের দুটো বাচ্চার হুটোপাটি দেখা যেত আর ওদের বাথরুমের জানলায় এক পট ফুলগাছ রাখা ছিল।

Read the rest of this entry »

 
7 Comments

Posted by on August 6, 2013 in পুণে পাঁচালী

 

Tags: , , ,

পুণে পাঁচালী ১ – দু’টুকরো প্লট

পুণে পাঁচালী ১ – দু’টুকরো প্লট

DSC08269আমার বর্তমান বাড়ি আর একটা মিনি হাইওয়ের মাঝামাঝি দুটো খালি প্লট পড়ে আছে। কতদিন খালি থাকবে সেই নিয়ে অবশ্য আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে। সেখানে একটাতে কাল দেখি টিলার চালাচ্ছে তো অন্যটায় আজ দেখি খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। তবে এই আজআর কালপেরিয়ে কবে যেন খেয়াল করলাম মাসখানেক বয়ে গেছে। টানা বৃষ্টিতে জমির মালিকেরা ক্ষ্যান্ত দেওয়াতে দুটো জমিই এখন আলাদা আলাদা প্যাটার্নে সবুজ হয়ে রয়েছে। মাত্র তিনতলার বারান্দা থেকে আমার চশমার ফাঁক দিয়ে মনে হচ্ছে সবুজটা একটু বেশি বেশি একটু বেশি উজ্জ্বল, ঠিক গাঢ় নয়, হলদেটে বা কালচেও নয়, আমপাতার মত লালচেও নয় (ঘাস আবার কবে কালচে/লালচে হল!), বেশ ঝকঝকে চোখের আরাম টাইপের সবুজ। কদিন ধরেই সকাল বিকেল একবার করে বারান্দায় গিয়ে ওদিকপানে তাকিয়ে দেখে নিচ্ছি সবুজটুকু আছে তো, না আবার জগঝম্প শুরু হয়ে গেল।

DSC08264কয়েক সপ্তাহ আগে এক শনিবারের মেঘলা বিকেলে ওই একই বারান্দায় বসে নুনে জারানো জাম খেতে খেতে আমার বেটার হাফ চারিদিকে সার্ভে করছিল। খালি জমিটা দেখে হঠাৎ বলে উঠল, “আরে, এখানে চাষ করবে মনে হচ্ছে।বেচারা অফিসের জাঁতাকলে পড়ে বিকেলগুলো ঠিক আয়েস করে দেখতে পায় না বলে শনিবারে বারান্দা থেকে নড়তেই চাইছিল না। যদিও বাড়ির থেকে ওর অফিসের আশেপাশেই সবুজের সমারোহ বেশি চারিদিকে ছোট ছোট পাহাড় ঘেরা, তাতে আবার মোবাইল টাওয়াররূপী পেরেক পোঁতা (দূর থেকে সেরকমই মালুম হয়)। বছরতিনেকের হায়দ্রাবাদ বনবাসের পর চারিদিকে এরকম সবুজ দেখে কীরকম ব্যোমকে যাচ্ছি। আমরা যেখানে থাকি সেটা অবশ্য গ্রেটার পুণে, কিন্তু সেইজন্যে বেশি সবুজ তা কিন্তু নয়।বরঞ্চ উল্টোটাই, পুণে শহর আরো বেশি ঘন, বেশি সবুজ। তবে খরার পর একটু বৃষ্টি হলেই মানুষ যেরকম লাফিয়ে ওঠে, এইটুকু সবুজ আমাদের খুশি করার জন্যে যথেষ্ট। গ্রেটার হায়দ্রাবাদের রুক্ষ পাথরভাঙা ধুলো আর শুকনো হাওয়ায় প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার পর বৃষ্টিস্নাত গ্রেটার পুণের ধোঁয়া ধোঁয়া ভিজে আবহাওয়ায় কয়েক মাসেই মনপ্রাণ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে বেশ বুঝতে পারছি।

DSC08271তা সে যাইহোক, খালি জমি আর চাষের প্রস্পেক্ট দেখে আমার ভেতরের সুপ্ত চাষীসত্তাটা জেগে উঠল। টিলারের ছন্দোবদ্ধ চাল আর আওয়াজ দেখেশুনে অনেকদিন পর মনে হচ্ছিল ইউনিভার্সিটিতে ফিরে গেছি। যদিও সেখানে নিজেকে টিলার চালাতে হয়নি কোনোদিন, তবু চোখের সামনে দেখেছি তো! টিলিংয়ের পরের কাজগুলোও নিজেই করেছি, সেই বিরল অভিজ্ঞতা যাবে কোথায়। পুণে জেলার মাটি হচ্ছে ব্ল্যাক কটন যেটা ভালরকম উর্বর আর আর্দ্রতাধারক। সঙ্গের ছবিটা দেখলে বুঝতে পারবেন কালো মাটিতে কী চমৎকার ঘাস ফলেছে, পাশাপাশি দুটো জমিতেই বোঝা যাচ্ছে চাষ করলে খারাপ হবে না। তবে মালিকেরা চাষ করবে না ফ্ল্যাট তুলবে সেটা বোধহয় বর্ষা শেষ হলে জানা যাবে। 

 
9 Comments

Posted by on July 11, 2013 in পুণে পাঁচালী

 

Tags: , , , , ,

 
যযাতির ঝুলি | বাংলা ব্লগ | Jojatir Jhuli | Bangla Blog

বাংলা কবিতা, বাংলা গদ্য.. মুচমুচে, খাস্তা, অনবদ্য। ছুটির দুপুরে হোক না যোগ.. যযাতির গল্প, ছড়া, ব্লগ।।

feeble Lines

- By Adarsh

Natasha Ahmed

Author at Indireads

জীবনের আয়না

কিছু এলোমেলো ভাবনাচিন্তা

ব্লগম ব্লগম পায়রা

এটা-সেটা লেখা-দেখা...কখনো আনমনে কখনো সযতনে, টুকিটাকি আঁকিবুঁকি...সাদা-কালো সোজা বাঁকা

translations

translations of contemporary, modern and classic bengali fiction and poetry by arunava sinha

Cutting the Chai

India's original potpourri blog. Since 2005. By Soumyadip Choudhury

সাড়ে বত্রিশ ভাজা

একটি বাংলা ব্লগ

MySay.in | Political Cartoons and Social Views

Funny Cartoon Jokes on Latest News and Current Affairs.

Of Paneer, Pulao and Pune

Observations | Stories | Opinions

A Bookworm's Musing

Reading the world one book at a time!

SpiceArt

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Scrapbook

A Public Performance of Derivative Thinking ;-)

Abhishek's blog অভিষেকের ব্লগ

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Calcutta Chromosome

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Bookish Indulgenges with b00k r3vi3ws

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

monalisadesign

Monalisa's creations

of spices and pisces

food and the history behind it.

A Little Blog of Books

Book reviews and other literary-related musings

Scratching Canvas

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Sapna's Blog

A civilization is only as great as its dreams

The Greatbong Blog & Podcast

Dispensing unsolicited opinions since 2004

Words. More or Less.

Grey cells in Grayscale.

The Tales Pensieve

World of Indian Reads

%d bloggers like this: