RSS

ঘরে ফেরার গান

ছোটবেলা থেকে সাহানা চাইত পঁচিশে বৈশাখ দিনটা যেন প্রতি বছর সোম থেকে শুক্রর মধ্যে পড়ে। এই দিনটা এলেই ওর মা সকাল হতে টিভি চালিয়ে জোড়াসাঁকো থেকে রবীন্দ্র জয়ন্তীর লাইভ টেলিকাস্ট দেখত। একগাদা লোক বৈশাখের ঝাঁ ঝাঁ গরমে লাল-হলুদ-সবুজ সব শাড়ি-পাজামা-পাঞ্জাবি পরে, মাথায় ন্যাতানো বেলফুলের মালা লাগিয়ে কয়েকটা হারমোনিয়াম নিয়ে কী যে প্যানপ্যান করে যেত ও আজও বোঝেনি। আর ওর মা, যে ভদ্রমহিলা বছরের অন্য দিনগুলোতে একটু রাগী, একটু খিটখিটে হয়ে থাকতেন, তিনি এই একটা দিন কেমন দ্রব হয়ে যেতেন, হালকা ছলছলে চোখে টিভির সাথে গলা মিলিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে সারাদিন গুনগুন করতেন। তাই সাহানা আর ওর বাবা চাইত দিনটা শনি-রবিবারে না পড়ুক, যাতে ওরা স্কুল-কলেজ-অফিসে গিয়ে টিভির ওই অনুষ্ঠান থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারে। ওদের কনভেন্ট স্কুলেও অবশ্য রবীন্দ্র জয়ন্তীর একটা ছোট অনুষ্ঠান হয়ে পরদিন থেকে গরমের ছুটি পড়ত। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে হলের একদম পেছনে বসে বন্ধুদের সাথে গল্প করে সময় কাটিয়ে দেওয়া যেত, বাড়িতে থেকে টিভির হাত থেকে ছাড়া পাওয়াটা বেশী কঠিন ছিল।
মাকে ও অনেকবার জিজ্ঞ্যেস করেছে যে এই দিনটা এলেই মা অন্যরকম কেন হয়ে যায়। উত্তরে প্রতিবারই মা হেসে বলেছে,
-“ওরে, আমি যে রবীন্দ্র ভারতীতে পড়তাম। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে আমাদের ক্লাস হত। সেই সময়ের কত স্মৃতি আছে ওখানে। এই একটা দিনই তো আমাদের সেসব দিন চোখের সামনে তোদের ভাষায় ‘লাইভ’ দেখতে পাই।”
আরেকটু বড় হলে সাহানা বলত,
-“চল না মা, জোড়াসাঁকো ঘুরে আসি। পুরনো ক্লাসরুম দেখলে তোমার ভাল লাগবে।”
বোধহয় ওর সুপ্ত ধারণা ছিল ওখানে ঘুরে এলে মায়ের এই টিভি প্রোগ্রামের অত্যাচারটা থামবে। কিন্তু মা কোনোদিনই রাজী হয়নি ওখানে যেতে।
আজ সুদূর প্রবাসে বসে ওর হঠাৎ মনে পড়ল, মা মাঝে মাঝে পঁচিশে বৈশাখের দিন বাবা কোর্টে বেরিয়ে গেলে আলমারি থেকে নিজের পুরনো সার্টিফিকেটগুলো বের করে দেখত। সাহানা কোনোদিন ভাল করে লক্ষ করেনি, তবে আজ ওর মনে হল তখন অজান্তেই মায়ের চোখ থেকে দু-এক ফোঁটা টুপটাপ করে ঝরে পড়ত। ভাগ্যিস সার্টিফিকেটগুলো ল্যামিনেট করা ছিল! সময়টা খেয়াল না করেই বাড়ির নাম্বার ডায়াল করে ফেলল ও। ঘুম ঘুম চোখে ফোনটা ধরে মা বলল,
-“কী হয়েছে রে টুপুর? এত ভোরে ফোন করলি, তোর শরীর-টরীর ঠিক আছে তো?”
-“সরি সরি, একদম ভুলে গেছিলাম আমি আড়াই ঘন্টা এগিয়ে আছি। শরীর ভাল আছে, চিন্তা কোরো না।”
-“তাহলে, কিছু জরুরি কথা বলবি?”
-“হ্যাঁ মা। আজ তো পঁচিশে বৈশাখ, টিভি দেখবে না? এখন তো আর আমি নেই তোমাকে বিরক্ত করার জন্যে।”
-“হ্যাঁ সে তো সাতটা থেকে।” মাকে বেশ অবাক লাগল।
-“আর তোমার সার্টিফিকেটগুলো দেখে কাঁদবে আবার?”
এবার মা চুপ করে রইল। একটা হালকা দীর্ঘশ্বাস শোনা গেল কি? ফোনটাকে কানে আরেকটু চেপে ধরল সাহানা।
-“মা, আমার এটাই জিজ্ঞ্যেস করার ছিল। তোমার কী এমন দুঃখ যা এই একটা দিনে বছরের সবকিছুকে ছাপিয়ে যায়?”
দীর্ঘশ্বাসটা এবার স্পষ্ট করে শুনতে পেল ও।
-“ এসব কথা থাক না টুপুর। তুই কি এটাই জিজ্ঞ্যেস করার জন্যে ফোন করলি, পাগল!”
-“না না, আমি এটা জানতে চাই। বলো প্লীজ। কী এমন ব্যাপার যেটা আমি জানি না।”
-“আরে কী আবার ব্যাপার হবে, ভোরবেলা কী শুরু করলি বল তো? তোর আজকে ক্লাস নেই?”
-“আছে, যাব এখন। তুমি আগে বলো আমি যেটা জানতে চাইছি।”
-“তেমন কিছু না রে। আমি রবীন্দ্র ভারতীতে মিউজিকে অনার্স পড়তাম, গান গাইতাম। ইচ্ছে ছিল রেডিওতে গাইব। বন্ধুরা খুব প্রশংসা করত, প্রফেসাররাও। তারপর তোদের উকিলবাড়িতে বিয়ে হয়ে গেল, আর গান গাওয়া হল না।”
-“তুমি গান গাইতে? কোনোদিন শুনিনি তো। বন্ধ হয়ে গেল কেন, বাবা গাইতে দেয়নি?”
-“বাবা না, তোর দাদু। বৌমা রেডিওতে গান গাইবে সেটা ওনার পছন্দ ছিল না।”
-“তুমি বিয়ের আগে বলে নাওনি কেন যে গান গাইবে?”
-“আমাদের সময়ে অত বলেকয়ে নেওয়ার রেওয়াজ ছিল না টুপুর। তোর এক দাদু বলেছিলেন বিয়ে করতে, আরেক দাদু বলেছিলেন গান না গাইতে। দুটোই আমি মেনে নিয়েছিলাম সংসারের শান্তির জন্যে।”
-“আর তোমার নিজের শান্তি?”
-“আমার শান্তি রবীন্দ্রনাথ। দেখিস না সবসময় ওনার গান শুনি ক্যাসেট চালিয়ে। আর একদিন জোড়াসাঁকোর অনুষ্ঠান দেখতে পাই, ওতেই আমার শান্তি।”
এবার দীর্ঘশ্বাসটা সাহানার দিক থেকে এল। মা কি শুনতে পেল?
“তুই এবার ক্লাসে যা তো। আমিও উঠে পড়ি। সাবধানে থাকিস টুপুর।”

নিজের ডেস্কে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল সাহানা। সারাজীবন ও নিজেকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিল যে কোনোদিন মায়ের কথা ভেবে দেখেনি ভাল করে। মা তো আছেই, থাকবে, সবসময় তাদের সেবা করে যাবে, এরকমটাই জানত সে। আজ ভেবে দেখল, মায়ের জন্যে কোনোদিনই কিছু করেনি ও। ছোটবেলায় মা একবার ওকে গান শেখাতে নিয়ে গিয়েছিল। দুদিন পর ওর ইচ্ছে করেনি বলে আর যায়নি সেখানে। কখনও কোনো ইন্টারেস্টও দেখায়নি গানে। খুব বেশী হলে হিন্দি সিনেমার গান শোনে হয়ত ও। আর আশ্চর্য্য, ওর এত রবীন্দ্র-ভক্ত মা কিন্তু কোনোদিন ওকে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনার জন্যে জোর করেনি। রবীন্দ্রনাথকে যেন মা নিজের কাছে আগলে রাখতে চেয়েছিল, যাতে তিনি সাহানার মত লোকেদের থেকে ব্যাথা না পান।

সারাটাদিন ভীষণ অন্যমনস্ক হয়ে ক্লাস করল সাহানা। কলকাতায় ল’ কলেজে পড়ে ও এখন সিঙ্গাপুরে মাস্টার্স পড়তে এসেছে। পাস করে দেশে ফিরে হাইকোর্টে আগে বাবাকে অ্যাসিস্ট করবে, তারপর ধীরে ধীরে নিজের পছন্দের ফিল্ডে ঢুকবে – এরকমই প্ল্যান আছে আপাতত। রবীন্দ্র জয়ন্তী নিয়ে বাবার মতই ও কোনোদিন মাথা ঘামায়নি। ওসব অকিঞ্চিৎকর গান না শুনে বাবাকে দুটো কেসের ব্রীফ পড়ে সময়টাকে কাজে লাগাতে দেখেছে ও চিরকাল। সেই পদাঙ্কই অনুসরণ করেছে ও এতদিন। আজ সকালে হঠাৎ মেলবক্স খুলে সিঙ্গাপুরের বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনের রবীন্দ্র জয়ন্তীর নেমন্তন্নের চিঠি পেয়ে দিনটা কেমন অন্যরকমভাবে শুরু হল। যেহেতু আজ মঙ্গলবার, ওদের অনুষ্ঠান হবে উইকেন্ডে। মনে মনে যাওয়াটা ঠিক করে রাখল ও।

ক্লাস করে, প্রজেক্টের কাজ সেরে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে প্রায়ই একটা করে সিনেমা দেখে সাহানা। রোজই দেখে বললে ভুল হবে, প্রায়দিনই ল্যাপটপে সিনেমা চালিয়ে দিয়ে মাঝপথে ও ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে অনীকের সাথে কথা বলতে। অনীক, ওর বয়ফ্রেন্ড, কলকাতায় থাকে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। দুবছরের পুরনো সম্পর্ক ওদের, এখনও বাড়িতে জানায়নি কেউই। দুজনেই ক্যেরিয়ারে থিতু না হয়ে সেটল করার সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। দেড় বছর একসঙ্গে ঘুরেছে, এখন ছ’মাসের বিরহে মাঝে মাঝে একটু কাতরতা আসে দুদিকেই। রোজ এই রাত্রের দিকে অনীককে ফোনটা করে সাহানা। ওর ইউ.এস.এ. টাইম জোনের শিফটে কাজ, এই সময়টায় একটা টী-ব্রেক থাকে। অনীক ক্যান্টিনে গিয়ে ওকে মিসড কল দেয়, মিনিট পনেরো কথা বলে আবার কাজে ফিরে যায়। তারপর আরো কিছুক্ষণ ওর সাথে নেটে চ্যাটপত্র করে সাহানা ঘুমোতে যায়। আজকে আনমনা হয়ে সার্চ করতে করতে একটা পুরনো বাংলা সিনেমা পেল ও, শর্মিলা ঠাকুরের ‘ছায়াসূর্য’। সাদাকালো সিনেমা দেখলে জীবনটাও সাদাকালো হয়ে যায়, এরকম একটা কথা ঠাট্টাচ্ছলে বন্ধুদের বলত সাহানা। আজ নিজের বানানো আইন ভেঙে সিনেমাটা দেখতে বসে গেল ও। তন্ময় হয়ে দেখছিল একটা মোটামুটি স্ক্রিপ্ট নিয়ে কী সুন্দর সিনেমা বানিয়েছিল সাদাকালো যুগের লোকেরা। দেখতে দেখতে একটা গান শুরু হল। সাধারণত বাংলা সিনেমায় এই গানের জায়গাগুলো ও ফরওয়ার্ড করে দেখে। আজকে অন্যমনস্ক হয়ে গানটা শুনছিল। ভাল করে গানের কথাগুলো বোঝার জন্যে দু-তিনবার গানটা শুনল ও।

‘এসো এসো আমার ঘরে এসো, আমার ঘরে,
বাহির হয়ে এসো তুমি, যে
আছ অন্তরে, এসো আমার ঘরে…’

নেটে সার্চ করে দেখে অবাক হয়ে গেল সাহানা। রবীন্দ্রনাথ এত সুন্দর গান লিখে গেছেন আর এতদিন ও জানতই না! ওর মনে হল বুকের ভেতর যেন পাথর লেগে একটা ঝর্ণার উৎস খুলে গেল। চোখ বন্ধ করে গানটা মনে মনে গাইছিল ও। হঠাৎ ফোনের রিং শুনে চমকে উঠল।

অনীক? ও তো কখনো ফোন করে না, সাহানাই করে ওর সস্তা পড়ে বলে। ফোনটা বেজেই যাচ্ছে দেখে তুলল ও।
-“কী ব্যাপার? আমি করতাম তোমাকে একটু পরেই।”
-“আজকে আমিই করলাম। তোমার সাথে একটু কথা ছিল।”
-“বলো বলো, আজকে আমারও অনেক কথা আছে।”
দু’সেকেন্ড চুপ করে রইল অনীক।
-“সাহানা, ইটস ওভার বিটউইন আস। আমি আর তোমার সাথে থাকতে পারব না।”
হতবুদ্ধি হয়ে ফোনটার দিকে একবার তাকাল সাহানা। এটা অনীকই তো? কী যা তা বলছে এসব?
-“মানে? কী বলছ তুমি?”
-“ঠিকই বলছি। আয়্যাম ব্রেকিং আপ উইথ ইউ। আই হ্যাভ ফাউন্ড সামবডি এলস।”
-“সামবডি এলস? এসব কবে হল, কে সে? আমি চিনি তাকে?”
-“তুমি কী করে চিনবে? শী ইজ মাই কলীগ অ্যান্ড আই লাভ হার।”
-“এটা কী করে হল অনীক? আমি দূরে আছি বলে তুমি অন্য কাউকে ভালবেসে ফেলবে?”
-“দূরে আছ বলে কিনা জানিনা, সেটা একটা ফ্যাক্টর হতে পারে। আরেকটা খবর আছে, আমি শিগগিরই অনসাইট যাচ্ছি, ইউ.এস-এ। তখন তো এমনিতেই আমাদের রিলেশনটা লং ডিসট্যান্স হয়ে যেত।”
-“এই মেয়েটাও কি তোমার সঙ্গে যাচ্ছে?”
কিছুক্ষণ ইতস্তত করে অনীকের উত্তর এল,
-“হ্যাঁ, উই আর ইন দ্য সেম প্রজেক্ট।”
-“ওহ, তাই। নাও আই গেট ইট। ওখানে গিয়ে তোমরা একসাথে থাকবে।”
অনীক বেশ বিরক্ত হয়ে বলল,
-“হ্যাঁ থাকব, তাতে কী? আমি যার সাথে ইচ্ছে থাকতে পারি। ইটস আ ফ্রী কান্ট্রী।”
আচমকাই চুপ করে গেল সাহানা। এ কাকে ভালবাসে সে, কীরকম লোক এরা? শান্ত হয়ে বলল ও,
-“থাকো, যার সাথে ইচ্ছে। আই ডোন্ট ব্লাডি কেয়ার। আর কখনো আমাকে ফোন কোরো না।”

ফোনটা কেটে দিয়ে নিঃশব্দে কেঁদে যেতে লাগল ও। ল্যাপটপে বাফার হওয়া ওর শোনা জীবনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রবীন্দ্রসঙ্গীতটি বাজতে লাগল। এরকম আঘাত কি সবসময়ে বজ্রপাতের মতই কাউকে না বলেকয়ে আসে? অনেকক্ষণ কান্নার পর সাহানা ঠিক করল এটা ও বাড়িতে জানাবে না। ওর বাবা যে কতটা প্রাচীনপন্থী সেটা ও ভাল করেই জানে। আর মা জানলে শুধু কষ্টই পাবে। হয়ত বলবে, ‘একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারলি না টুপুর?’ তার চেয়ে এই ভাল। ও নাহয় একা একাই নিজের কষ্ট সামলে নেবে। হয়ত মায়ের মত বয়সে কোনোদিন অনীকের কথা মনে পড়লে দু-এক ফোঁটা ওর চোখ থেকেও ঝরে পড়বে। গানটা শুনতে শুনতে সাহানা ঠিক করল মাকে ফোন করে জেনে নেবে মায়ের প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীত কোনগুলো। তবে সবার আগে ও জিজ্ঞ্যেস করবে,
-“মা, ঠিক এই মুহূর্তে তোমার মনে কোন গানটা বাজছে?”

* এই গল্পটি  eবংonline.com-এর মে ২০১২ সংখ্যায় প্রকাশিত *

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

 
feeble Lines

- By Adarsh

Natasha Ahmed

Author at Indireads

জীবনের আয়না

কিছু এলোমেলো ভাবনাচিন্তা

ব্লগম ব্লগম পায়রা

এটা-সেটা লেখা-দেখা...কখনো আনমনে কখনো সযতনে, টুকিটাকি আঁকিবুঁকি...সাদা-কালো সোজা বাঁকা

translations

translations of contemporary, modern and classic bengali fiction and poetry by arunava sinha

Cutting the Chai

India's original potpourri blog. Since 2005. By Soumyadip Choudhury

104.193.143.58/~manjul7/

MANJULIKA PRAMOD - I TRAVEL NEAR AND FAR FOR INTERESTING PERSPECTIVES!

সাড়ে বত্রিশ ভাজা

একটি বাংলা ব্লগ

MySay.in | Political Cartoons and Social Views

Funny Cartoon Jokes on Latest News and Current Affairs.

Of Paneer, Pulao and Pune

Observations | Stories | Opinions

A Bookworm's Musing

Reading the world one book at a time!

SpiceArt

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Abhishek's blog অভিষেকের ব্লগ

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Calcutta Chromosome

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Bookish Indulgenges with b00k r3vi3ws

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

monalisadesign

Monalisa's creations

of spices and pisces

food and the history behind it.

A Little Blog of Books

Book reviews and other literary-related musings

Scratching Canvas

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Sapna's Blog

A civilization is only as great as its dreams

Words. More or Less.

Grey cells in Grayscale.

The Tales Pensieve

World of Indian Reads

%d bloggers like this: