RSS

Category Archives: প্রবন্ধ

রেডিও মির্চির বাংলা ওয়েব সিরিজ – OMG এবং #typo

29872841_2022750497996069_6230729270300209810_o

ছবি সৌজন্যেঃ ফেসবুক

রেডিও। শব্দটা শুনলেই কয়েকটা দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে; তার মধ্যে প্রথমটা অবশ্যই মহালয়ার ভোর। সেই আদ্যিকালের ঢাউস রেডিও একটা, যাকে ঝাড়পোঁছ এবং কানমলা দেওয়া হত আগের রাত্রে, তারপর ভোর চারটেয় চালু করে মাঝপথে দু চারটে থাবড়াও মারতে হত। আমার ছোটবেলায় ক্রিকেট ফুটবল ম্যাচ টিভিতে দেখানো শুরু হয়ে গেছিল, কাজেই রেডিওতে কমেন্টারি শুনিনি প্রায়। বিবিধ ভারতীতে রফি-লতা-কিশোর থেকে মহিষাসুরমর্দিনী পেরিয়ে যখন গেলাম হাইস্কুলে, একটা ছোট ট্রাঞ্জিস্টর উপহার পেয়েছিলাম আর সেটা দিবারাত্র আমার পড়ার টেবিলে চালু থাকত। বেশি মন খারাপ হলে একেবারে লো ভল্যুম করে বালিশের এক কোণায় জায়গা পেত সারারাত। বোঝাই যাচ্ছে সেটা বেশিদিন টেঁকেনি, আমার অত্যাচারে দেহ রেখেছিল শীঘ্রই। এরপর এল নিজের জমানো টাকা দিয়ে কেনা মহার্ঘ্য মিউজিক সিস্টেম। আজ থেকে বছর ১৮ আগে। সেই যে যাত্রা শুরু হল রেডিওর সঙ্গে, সেটা আরো গাঢ় হল ২০০৩ থেকে, যখন কলকাতার এফ এম চ্যানেলগুলি চালু হল। ব্যাস। তিন বছর টানা রেডিও শুনেছি প্রায় যতক্ষণ বাড়িতে থাকতাম। শুনতে অস্বাভাবিক লাগলেও কতকটা এরকমই ছিল কেসটা। রেডিও মির্চিতে মীরের হাই কলকাতা থেকে শুরু করে আমার ১০৬.২ এফ এম-এ লাগাতার বাংলা গান থেকে রেড এফ এম-এ রাত্রের শোতে জিমি টাংরিকে শোনা – সে এক হ্যালু ব্যাপার ছিল। ফেসবুক ইত্যাদি ঢপের চপ তখনও ঢোকেনি এদেশে, RJরাও সেলেব্রিটি ছিলেন, সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। মীরের গলা শুনে বড় আপন মনে হত, যেন পাড়ার ছোড়দা; জিমি টাংরির গলা শুনে শিহরণ জাগত, নীল ছিল ভারী ফচকে, ১০৬.২তে আরেকজন ছিলেন যার নামটা মনে নেই কিন্তু গলাটা ব্যাপক রোম্যান্টিক ছিল। হ্যাঁ, তখন আমরা এরকমভাবে কথা বলতাম – ব্যাপক, একঘর, হ্যালু, চাপ নেওয়া, কেত মারা, আরবিট বাওয়াল দেওয়া, হুব্বা হওয়া, ইত্যাদি প্রভৃতি। যারা ২০০৩-এ জন্মেছিল, তারা পর্যন্ত কৈশোরে পৌঁছে গেল এতদিনে। আমার রেডিও শোনারও ইতি হল।

Read the rest of this entry »

Advertisements
 
 

তিনশো বছর পুরনো একটি দোলযাত্রা

আজ দোল। বসন্ত তো নেই বললেই হয়, এখন দোলও আসে গরমে। প্রায় তিনশো বছর আগে শুরু হওয়া একটি বিখ্যাত দোলযাত্রার গল্প শোনাই। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমায় গোটা বঙ্গদেশে কয়েকটি এলাকার দোলের মেলার জগতজুড়ে নাম, যেমন – রাজশাহীর ভবানীপুরের রাসমেলা, পটুয়াখালীর কুয়াকাটার রাসমেলা, সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জ ও কাটুনিয়া রাজবাড়ির দোলপূর্ণিমার মেলা, পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর ও কালনার রাসমেলা তিনশো বছরেরও পুরনো। এর মধ্যে কাটুনিয়া রাজবাড়ির এক সদস্যের সাক্ষাৎকার নিতে পেরেছি, যিনি আজ থেকে গোটা ষাটেক বছর আগে এই মেলা এবং পুজো চাক্ষুষ দেখেছেন বেশ কয়েকবার তাঁর ছোটবেলায়। শুনে নিই তাঁরই জবানীতে, পঞ্চাশের দশকে কাটুনিয়া রাজবাড়ির বিখ্যাত দোলপূর্ণিমা মেলা কেমন হত।

——————-

এটা কাটুনিয়া রাজবাড়ির ঠাকুর নয়। ছবিটি গুগল থেকে নেওয়া।

এটা কাটুনিয়া রাজবাড়ির ঠাকুর নয়। ছবিটি গুগল থেকে নেওয়া।

কাটুনিয়া রাজবাড়ির কুলদেবতা ছিলেন গোবিন্দদেব (এবং রাধারানী)। দোলের আগের দিন তাঁর অভিষেক হত। বিরাট একটা পরাত ছিল, সেই পরাতের মধ্যেই ডাবের জল, দুধ আর ঘি রাখা থাকত। সেই পরাতের মধ্যে বসিয়ে প্রথমে ডাবের জল দিয়ে স্নান করিয়ে গা মুছিয়ে দেওয়া হত, তারপর দুধ এবং ঘি দিয়ে একইভাবে স্নান করিয়ে মুছিয়ে দেওয়া হত। স্নানধারায় গড়িয়ে পড়া এই তিনটে পদার্থ মিশিয়ে পরে চরণামৃত তৈরি হত। এই অভিষেক হত মন্দিরের বাইরের বারান্দায় ঠাকুর বসিয়ে। এরপরে ঠাকুর আবার ঘরে ফিরে যেতেন, রোজকার নিয়মে ভোগ-শয়ান ইত্যাদি হত, তবে দোলের আগের দিন একটা স্পেশাল ভোগ হত। সন্ধ্যেবেলা আরতি এবং ঠাকুরকে নতুন জামাকাপড় পরানো হত।

Read the rest of this entry »

 
4 Comments

Posted by on March 17, 2014 in প্রবন্ধ

 

Tags: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

মান্না দেঃ ইন্দ্রপতন

mana_dey_sketch

ছবি সৌজন্যেঃ chandrakantha.com

মান্না দের গানের সঙ্গে আমার পরিচয় তাঁর নাম জানারও আগে। এর জন্যে দায়ী আমার বাবা। ছোটবেলা থেকেই বাড়ির সাদা কালো আপট্রন টিভিতে দূরদর্শনে সঞ্চালিত সব পুরনো হিন্দি ছবি আমার দেখা। কিছু কিছু ছবি শুধুমাত্র তার গানগুলোর জন্যে বসে পুরোটা দেখত বাবা। বেশ ছোটবেলায় একবার মনে আছে গল্পের বইয়ের জগতে ডুবে থাকতে থাকতে এক দরাজ গলায় চটকা ভেঙে গেছিল (হ্যাঁ, আমি খুব কম বয়স থেকেই গল্পের বইয়ের পোকা) – গানটা ছিল চলত মুসাফির মোহ লিয়া রে, পিঞ্জরেওয়ালি মুনিয়া…’। স্কুলে হিন্দি পাঠ্য ছিল বলে গানের কথাগুলো ধরতে পারছিলাম, কিন্তু ওই বয়সে গানে মুনিয়া পাখির তাৎপর্য্য বুঝিনি। এখনও যে সবটা বুঝি, সে দাবী করব না। সেই থেকে ভদ্রলোকের গলাটা চিনতে শুরু করলাম। তাঁর গানের ব্যপ্তি যে কতদূর সেটা বোঝাতে একটা ছোট্ট ঘটনা বলি। আজ থেকে মোটামুটি বছর পঁচিশেক আগে হিন্দি ছবি কাবুলিওয়ালার একটা গান চলাকালীন দেখছি আমার আপাত কঠিন বাবার চোখে প্রায় মিনিট দশেক জল টলটল করছে। গানটা নিশ্চয় ধরতে পারছেন, অ্যায় মেরে পেয়ারে ওয়াতন, অ্যায় মেরে বিছড়ে চমন…’ । এমনি সময় বাবা প্রায়ই এই গানটা গুনগুন করত, গলার আওয়াজ বেশ মখমলী হওয়ার দরুণ লো স্কেলে ব্যাপক গাইত। ছোটবেলায় আকাটের মত জিজ্ঞ্যেসও করেছিলাম বাবা কাঁদছে কেন। অপ্রস্তুতে পড়ে গানের সিকোয়েন্সটা বুঝিয়েছিল যে কাবুলিওয়ালা সুদূর বিদেশে তার দেশকে, তার ছোট্ট মেয়েকে মনে করে গাইছে। সেদিন থেকে আমি ড্যাডিস গার্ল। অতিথিরা প্রশ্ন করলে বেমালুম বলে দিতাম যে বাবাকে বেশি ভালবাসি, মাকে কম।

Read the rest of this entry »

 
5 Comments

Posted by on October 25, 2013 in প্রবন্ধ

 

Tags: , , , , , ,

“ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা…”

আমার মত আরো অনেকে যারা আশির শেষনব্বইয়ের দশকে কৈশোর পার করে এসে নতুন শতকের আশেপাশে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে, তারা এই লেখার সঙ্গে বেশি করে একাত্মবোধ করবে। গত দুই দশকে চলতি বাংলা ভাষায় একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে যেটাকে অগ্রাহ্য করা অসম্ভব। শুধু আমার প্রজন্ম নয়, আগের প্রজন্মও এগুলো শুনতে শুনতে বেশ প্রভাবিত হয়েছেন। শব্দ/বাক্যবন্ধগুলি শুনতে মোটেও খুব শ্রুতিমধুর নয়, তবে আমাদের এমন অভ্যাস হয়ে গেছে যে ওগুলিকে এখন আর আলাদা বলে মনে হয় না, কথার মাত্রা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাইস্কুলে বা কলেজের প্রথমদিকে এইসব শব্দ/বাক্য বাড়িতে বললে সবাই কেমন অবাক হয়ে যেত। এখন ব্যাপারটা বেশ পালটে গেছে, মাবাবাও অবলীলায় এর মধ্যে কিছু কিছু ব্যবহার করছেন দৈনিক জীবনে। কয়েকটা উদাহরণ দিলেই স্পষ্ট হবেঃ

১। চাপ – দুই প্রকারের হয়, এক হল চাপ আছে/নেইআর দ্বিতীয় হল চাপ নেওয়া। এটা প্রথম শুনি বোধহয় কলকাতা এসে। তার আগে অব্দি আমাদের মফস্বল অঞ্চলে চাপ‘-এর প্রচলন হয়নি। মুশকিল/ঝামে্লা/অসুবিধা এগুলো বেশ চলত। টেন পাস করে কলকাতা এসে শুনলাম লোকে বলছে, “চাপ হয়ে গেল, বুঝলি,” এবং তার চেয়েও বেশি যুগান্তকারী, “চাপ নিস না।” চাপের সঙ্গে সেই যে আমার পথচলা শুরু হল, আজও নিরবিচ্ছিন্ন আমাদের যোগাযোগ। বাড়ি থেকে বেরিয়ে যখন বিদেশে পড়তে গেলাম, ফোনে কথা বলতে বলতে গোটা পরিবারের লোককে চাপের ব্যবহার শিখিয়ে দিয়েছিলাম। যার ফলে মাবাবাও এখন দূর থেকে ফোনে সুন্দর করে বলেন, “চাপ নিস না যেন, সব ঠিক হয়ে যাবে।”

২। একঘর – এটা প্রথম শুনেছিলাম পিসতুতো ভাইয়ের কাছে। শুনে ভেবেছিলাম ওদের বেহালার কোনো উন্নত ভাষা যেটা আমি মফস্বলে থাকি বলে জানিনা। মোটামুটি ক্লাস এইটনাইন নাগাদ একবার পুজোয় দেশের বাড়িতে গিয়ে কী একটা দারুণ রান্না খেয়ে বলল, “আহ, একঘর হয়েছে!” বলাই বাহুল্য, কেউ বোঝেনি। সবাই ওর এই বিশেষণে হুব্বা হয়ে তাকিয়ে ছিল। হুব্বাকী, সেটা পরে বোঝাচ্ছি। একঘর মানে যে দারুণ/ব্যাপক, সেটা তখন জানলাম। তবে আমি এখন আর একঘরের বিশেষ ব্যবহার করি না, কেন কে জানে!

৩। ব্যাপক – বোধহয় প্রথম শুনি আমার কাকার কাছে। আবারও, শুনে ভেবেছিলাম কলকাত্তাইয়া ভাষা, আমি মফস্বলী কোথা থেকে জানব! ব্যাপক মানেও দারুণ, তবে ঠিক কতটা দারুণ সেটা বোঝাতে পারব না। যাঁরা কথায় কথায় আমার মত ব্যাপক বলেন, তাঁরা বুঝবেন। খাবার থেকে পোষাক থেকে সিনেমা, সবই ব্যাপক হতে পারে।

৪। হুব্বা গার্লস কলেজে পড়েছি বলে হুব্বাটা শুনতে একটু দেরি হয়ে গেছিল। কলেজে পড়াকালীন খবরের কাগজে হুব্বা শ্যামল বলে মাফিয়ার কথা পড়েও বিশেষণটা আদৌ বুঝিনি। ইউনিভার্সিটি গিয়ে চ্যাংড়া ছেলেপিলের পাল্লায় পড়ে বুঝলাম হুব্বা মানে হল অবাকঅবাকতরঅবাকতম একটা ব্যাপার। মানে ভাষায় বোঝানো যায়না এরকম একটা এক্সপ্রেশন। এ বিষয়ে সবচেয়ে মজার গল্পটা শুনেছিলাম আমার বেটার হাফের কাছে, ওদের কলেজে এক সহপাঠীর ডাকনাম দেওয়া হয়েছিল হুব্বা, কারণটা এখনও কেউ জানে না।

Read the rest of this entry »

 
6 Comments

Posted by on September 25, 2013 in প্রবন্ধ

 

Tags: , , , , , , , , , , , , ,

স্মৃতির ওপার থেকে তিলোত্তমা

কলকাতার কল্লোলিনী রূপটা ছোটবেলা থেকে প্রতিদিন দেখার সৌভাগ্য হয়নি। আমার ছোটবেলা খুব বেশিদিন নয় অবশ্য, এই মাত্র বছর কুড়ি বা এক যুগ আগে। বড় হয়েছি মফস্বলে, বাবার চাকরিসূত্রে থাকতাম সরকারি কোয়ার্টার্সে। একেকদিন বাবা বাড়ি ফিরে বলত, “আজকে অফিসে ফোন এসেছিল কলকাতা থেকে।” ওই হয়তো কোনো অনুষ্ঠানে নেমন্তন্নের জন্যে বা এমনি কুশল সংবাদ আদানপ্রদান। আমিও আশেপাশের বন্ধু বা খেলার সঙ্গীদের বলতাম গর্বের সাথে, “আজকে দিদার বাড়ি যাচ্ছি, কলকাতায়।” দিদার বাড়ি, যেটা কিনা বরানগরে হলেও না কলকাতা না মফস্বল একটা যায়গা ছিল, সেটা আমার মহত্ত্বে কলকাতাই হয়ে যেত লোকের কাছে। মাঝেমধ্যে অবশ্য কলকাতার ওপর বেশ রাগও হত। কিছু অকালপক্ক দূরসম্পর্কের ভাইবোন ছিল যাদের সাথে দেখা হলেই মফস্বল নিয়ে খোঁটা দিতে ছাড়ত না। তখন মনে মনে ভাবতাম কলকাতায় বড় হলেই বুঝি লোকজন এমন নিষ্ঠুর হয়ে যায়। আরেকটি আশ্চর্য্য ছিল আমার এক সহপাঠিনী, যে কোনো অজ্ঞাত কারণে বালিগঞ্জ থেকে রো্জ ট্রেন ঠেঙিয়ে মফস্বলের স্কুলে আসত।

তখন কলকাতা যাওয়া বলতে বিভিন্ন আত্মীয়দের বাড়ি বা দুর্গাপুজোয়। আর ছিল কিছু স্পেশাল ভ্রমণ, যেমন প্রতি বছর শীতের নরম দুপুরে তাড়াতাড়ি খেয়েদেয়ে ট্রেন ধরে বইমেলায় যাওয়া। আরেকটু ছোটবেলায় ক্রিসমাসের দিন যাদুঘর বা চিড়িয়াখানায় ঘুরে ক্লান্ত শরীরে নাহুমসএর কেকের গন্ধ মেখে সারা নিউ মার্কেট চষে নানারকম লজেন্স কেনা পরবর্তী কয়েক মাসের জন্য। স্কুলে পড়াকালীন কলকাতা যাওয়া মানেই ছিল অনাবিল আনন্দ – নেমন্তন্ন, ছুটির মেজাজ, দিদার বাড়ি, ঠাকুর দেখা আর বেলুড় মঠের ভোগ। আমরা বোধহয় রেকর্ড স্থাপন করেছি, একটানা নয় বছর প্রতিবার অষ্টমীর ঠিক সকাল নটায় বেলুড় মঠের পুষ্পাঞ্জলির লাইনে হাজিরা দেওয়ার। পুজোর সময় আমার কাছে ওই ঘনশ্যাম ঘুসুড়ির খিচুড়ি ভোগ ছিল কলকাতার সমার্থক। আমাদের সময়ে পুজোয় সারারাত্রি ধরে ঠাকুর দেখার এত হিড়িক ছিল না। তাই কোনো বছর সন্ধ্যের ভীড় এড়াতে মাসতুতোপিসতুতো ভাইবোন আর বড়রা মিলে বিশাল গ্যাঙ নিয়ে মাঝরাত্রে দক্ষিণ কলকাতার সব ঠাকুর দেখতে বেরোতাম। এইরকমই একবার ঘুরতে ঘুরতে ম্যাডক্সে স্কুলের প্রিয় মিসের সাথে দেখা হয়ে যাওয়ায় সে কী রোমাঞ্চ! ছুটির পর ক্লাসে গিয়ে ঈর্ষান্বিত বন্ধুদের কাছে জাহির করেছিলাম, “জানিস, মিস আর আমি একই জায়গায় ঠাকুর দেখতে গেছিলাম।” কখনো শীতকালে কলকাতায় বিয়েবাড়ির নেমন্তন্ন খেয়ে রাত্রের ফাঁকা ট্রেনে বাড়ি ফেরার সময়ে মায়ের কোলে মাথা রেখে গরম শালের ওমে ঘুমিয়ে পড়তাম।

Read the rest of this entry »

 
Leave a comment

Posted by on December 21, 2011 in প্রবন্ধ

 

Tags: , , ,

 
যযাতির ঝুলি | বাংলা ব্লগ | Jojatir Jhuli | Bangla Blog

বাংলা কবিতা, বাংলা গদ্য.. মুচমুচে, খাস্তা, অনবদ্য। ছুটির দুপুরে হোক না যোগ.. যযাতির গল্প, ছড়া, ব্লগ।।

feeble Lines

- By Adarsh

Natasha Ahmed

Author at Indireads

জীবনের আয়না

কিছু এলোমেলো ভাবনাচিন্তা

ব্লগম ব্লগম পায়রা

এটা-সেটা লেখা-দেখা...কখনো আনমনে কখনো সযতনে, টুকিটাকি আঁকিবুঁকি...সাদা-কালো সোজা বাঁকা

translations

translations of contemporary, modern and classic bengali fiction and poetry by arunava sinha

Cutting the Chai

India's original potpourri blog. Since 2005. By Soumyadip Choudhury

104.193.143.58/~manjul7/

MANJULIKA PRAMOD - I TRAVEL NEAR AND FAR FOR INTERESTING PERSPECTIVES!

সাড়ে বত্রিশ ভাজা

একটি বাংলা ব্লগ

MySay.in | Political Cartoons and Social Views

Funny Cartoon Jokes on Latest News and Current Affairs.

Of Paneer, Pulao and Pune

Observations | Stories | Opinions

A Bookworm's Musing

Reading the world one book at a time!

SpiceArt

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Scrapbook

A Public Performance of Derivative Thinking ;-)

Abhishek's blog অভিষেকের ব্লগ

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Calcutta Chromosome

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Bookish Indulgenges with b00k r3vi3ws

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

monalisadesign

Monalisa's creations

of spices and pisces

food and the history behind it.

A Little Blog of Books

Book reviews and other literary-related musings

Scratching Canvas

"আমার চতুর্পাশে সব কিছু যায় আসে, আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা..."

Sapna's Blog

A civilization is only as great as its dreams

Words. More or Less.

Grey cells in Grayscale.

The Tales Pensieve

World of Indian Reads

%d bloggers like this: